সিরিজ পাস — সব বই, সব সংস্করণ
২১টি বই এক ডাউনলোডে — বাংলা, ইংরেজি ও ইন্টার্যাকটিভ সংস্করণ — আর ভবিষ্যতের প্রতিটা খণ্ড, যেদিন আসে সেদিনই।
ছোটদের বিজ্ঞান সিরিজ · ১৯
লেন্স, চশমা, মরীচিকা আর রংধনু — একটাই কারণ। আলো নতুন জিনিসে ঢুকলে গতি বদলায়, আর গতি বদলালে দিকও বদলায়।
পড়া ও ছড়িয়ে দেওয়া — দুটোই বিনামূল্যে। পরিবারে, স্কুলে, পাঠচক্রে।
বাংলা সংস্করণ (পিডিএফ)
বাংলা · PDF · ৮৯ পৃষ্ঠা · ১.৪ MB
চশমা, ক্যামেরা, মরীচিকা, রংধনু, সমুদ্রের তলা দিয়ে আসা ইন্টারনেট — এই সবগুলোর পিছনে একটাই ঘটনা। আলো এক জিনিস থেকে আরেক জিনিসে ঢুকলে তার গতি বদলায়, আর গতি বদলালে দিকও বদলায়।
পাঠ্যবইয়ে প্রতিসরণ পড়ানো হয় স্নেলের সূত্র দিয়ে — sin i ভাগ sin r সমান একটা ধ্রুবক, মুখস্থ করো। কিন্তু ওই ধ্রুবকটা কীসের, আর আলো আদৌ বাঁকে কেন — এই দুটো প্রশ্নের উত্তর সাধারণত দেওয়া হয় না। এই বইয়ে উত্তরটাই আগে আসবে। আলো জলে ধীরে চলে; একটা রশ্মির এক পাশ আগে ধীর হলে গোটা রশ্মিটা ঘুরে যায় — ঠিক যেমন একটা চাকা আগে বালিতে পড়লে গাড়ি ঘুরে যায়। বাকি সব ওই এক কথার ফল।
আগে থেকে যা জানা থাকলেই চলবে: ভাগ করতে পারা, কোণ কী, আর চাঁদা দিয়ে কোণ মাপা যায় — সেটুকু। সাইন কী তা জানা থাকলে ভালো; না জানলেও চলবে, কারণ ১৭ নম্বর বইয়ের যেটুকু লাগবে সেটুকু এখানেই মনে করিয়ে দেওয়া হবে।
২৬ পাতায় গিয়ে থামো। ওই দুই পাতায় জলের প্রতিসরাঙ্ক বের করা হয়েছে দুটো সম্পূর্ণ আলাদা উপায়ে — একবার চাঁদা দিয়ে কোণ মেপে, একবার শুধু একটা স্কেল দিয়ে গভীরতা মেপে। দুটোতেই উত্তর ১.৩৩। ওইটা বইয়ের মেরুদণ্ড। আর একটা বাটি, একটু জল আর একটা কয়েন হাতের কাছে রাখো — ৭৪ পাতার পরীক্ষাটা দশ মিনিটের, আর ওটা করলে গোটা বইটা গায়ে লাগবে।
আর আলো ফিরে আসা
আলোর গতি মাপা, আর আজকের কাচ
২১টি বই এক ডাউনলোডে — বাংলা, ইংরেজি ও ইন্টার্যাকটিভ সংস্করণ — আর ভবিষ্যতের প্রতিটা খণ্ড, যেদিন আসে সেদিনই।
পরমাণু থেকে পাওয়ার প্ল্যান্ট পর্যন্ত বিদ্যুৎ — ১৪১ পাতা, ৫৪ অধ্যায় — সঙ্গে একটি ইন্টার্যাকটিভ সংস্করণ, যার ছবিগুলো সত্যিই নাড়াচাড়া করা যায়।
কোনো কিছু কেন অন্য কিছুর সঙ্গে জুড়ে থাকে। ইলেকট্রন থেকে শুরু করে রাসায়নিক বন্ধন — লবণ, পানি, হীরা আর ডিএনএ, সবই একই ভাবনায় ব্যাখ্যা করা।