তারের ভেতরে নদী
পরমাণু থেকে পাওয়ার প্ল্যান্ট পর্যন্ত বিদ্যুৎ — ১৪১ পাতা, ৫৪ অধ্যায় — সঙ্গে একটি ইন্টার্যাকটিভ সংস্করণ, যার ছবিগুলো সত্যিই নাড়াচাড়া করা যায়।
📚 ই-বুক
বাংলা ও ইংরেজিতে সচিত্র বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বই।
গতি, বিদ্যুৎ, চুম্বক, তরঙ্গ — আর মহাবিশ্ব ঠিক কত বড়।
পরমাণু থেকে পাওয়ার প্ল্যান্ট পর্যন্ত বিদ্যুৎ — ১৪১ পাতা, ৫৪ অধ্যায় — সঙ্গে একটি ইন্টার্যাকটিভ সংস্করণ, যার ছবিগুলো সত্যিই নাড়াচাড়া করা যায়।
আকাশের প্রতিটি তারা বহু বছর আগে পাঠানো এক-একটি চিঠি। এই বই মহাবিশ্ব ঠিক কত বড় তা নিয়ে — আর ছোট মানে যে তুচ্ছ নয়, তা নিয়ে।
বাসের জানালা থেকে শুরু। তারপর ছোঁড়া বলের বাঁকা পথ, ব্রেকের দূরত্ব, লিফটে ওজন বদলে যাওয়া — আর শেষে সেই তিনটে বাক্য, যেগুলো এই সবটাই একসঙ্গে ব্যাখ্যা করে।
তরঙ্গ — হাতের দড়ি থেকে শুরু করে দূরের তারার আলো পর্যন্ত।
তড়িৎপ্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া আর চুম্বকত্ব — দুটো বিষয় নয়, একটাই।
লেন্স, চশমা, মরীচিকা আর রংধনু — একটাই কারণ। আলো নতুন জিনিসে ঢুকলে গতি বদলায়, আর গতি বদলালে দিকও বদলায়।
ফ্রিজ, কেটলি, শীতের কাঁথা আর ইঞ্জিন — একটাই নিয়ম। তাপ সবসময় এক দিকে যায়, গরম থেকে ঠান্ডায়, উল্টো দিকে নিজে থেকে কখনো নয়।
ভূমিকম্প, প্লেট আর বাংলাদেশের মাটি। "পায়ের নিচে শক্ত মাটি" কথাটাই ভরসার — অথচ ওই মাটি ভাসছে, চলছে, আর মাঝে মাঝে ছিঁড়ে যাচ্ছে।
জিনিস কেন জোড়া লাগে, আর যা দেখা যায় না রসায়ন তা গোনে কীভাবে।
কোনো কিছু কেন অন্য কিছুর সঙ্গে জুড়ে থাকে। ইলেকট্রন থেকে শুরু করে রাসায়নিক বন্ধন — লবণ, পানি, হীরা আর ডিএনএ, সবই একই ভাবনায় ব্যাখ্যা করা।
এক বয়াম চাল থেকে শুরু করে সারের বস্তা, চুনের ভাটা আর কারখানার হিসাব — রসায়ন যেভাবে গোনে।
মস্তিষ্ককোষ, রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা, আর যে চার পরিবারের অণু দিয়ে আপনি তৈরি।
শরীরের অদৃশ্য সীমান্তবাহিনী। ইমিউন সিস্টেমের প্রতিটি সেনা — কে কীভাবে শত্রুকে চেনে, কীভাবে যুদ্ধ জেতে, আর কখনও কখনও কেন হেরে যায়।
কাচের বাটিতে বেড়ে ওঠা জ্যান্ত মস্তিষ্ককোষ শিখছে ভিডিও গেম খেলতে — আর তা থেকেই বোঝা যায় চিন্তা করা আসলে কী।
কোষ রসায়ন — এক অণু পানি থেকে শুরু করে ডিএনএ-র একটা সুতো পর্যন্ত।
ক্যালকুলাস আর সম্ভাবনা — একেবারে গোড়া থেকে, মুখস্থ করার কিছু নেই।
শূন্য থেকে গড়ে তোলা ক্যালকুলাস, এমন পাঠকের জন্য যে কেবল বীজগণিতই জানে — ষাটটির বেশি ছবি, কোনো ফাঁকি নেই, দুই ভাষায়।
অনিশ্চয়তা মাপার বিদ্যা — কয়েনের টস থেকে শুরু করে জরিপ, পরীক্ষার ফল আর ডাক্তারের রিপোর্ট পর্যন্ত।
ত্রিকোণমিতি — একেবারে গোড়া থেকে। নাগালের বাইরের জিনিস মাপার একটাই উপায় আছে, আর সেটা আবিষ্কার হয়ে গিয়েছিল আড়াই হাজার বছর আগে।
গুজব, পরিসংখ্যান আর "প্রমাণ" — যাচাই করার হাতিয়ার। যেকোনো দাবির সামনে দুটো প্রশ্ন রাখলেই বেশির ভাগ গুজব থেমে যায়: কে বললো, আর কীভাবে জানলো।
সুদ, মূল্যস্ফীতি আর যে অঙ্কগুলো কেউ শেখায়নি। আজ ১০,০০০ টাকা, এক বছর পরে ১১,০০০ — সংখ্যাটা বেড়েছে, কিন্তু কেনার ক্ষমতা?
সবার হাতের যন্ত্রটা ভেতরে আসলে কী করছে।
ফোনের সাজেশন থেকে আজকের বড় ভাষা-মডেল — যন্ত্রটা কীভাবে আন্দাজ করে পরের শব্দটা কী হবে, আর ভুল করলে সে কীভাবে নিজেকে শুধরে নেয়।
বাইনারি, লজিক গেট আর কম্পিউটার কীভাবে কাজ করে। পৃথিবীর সব কম্পিউটার একটাই জিনিস দিয়ে তৈরি — সুইচ। আর সুইচ জানে মাত্র দুটো কথা।
উপন্যাস আর গল্প — পড়ুন, কিংবা অডিও নাটক শুনুন।
একটা ছেলে একটা উইশ পেল, আর ঠিক সেটাই পেল যা সে চেয়েছিল — প্রতি বছর নতুন ভালোবাসা, আর প্রতি বছর আগেরজন হারিয়ে যাওয়া।
২১টি বই এক ডাউনলোডে — বাংলা, ইংরেজি ও ইন্টার্যাকটিভ সংস্করণ — আর ভবিষ্যতের প্রতিটা খণ্ড, যেদিন আসে সেদিনই।