তারের ভেতরে নদী
পরমাণু থেকে পাওয়ার প্ল্যান্ট পর্যন্ত বিদ্যুৎ — ১৪১ পাতা, ৫৪ অধ্যায় — সঙ্গে একটি ইন্টার্যাকটিভ সংস্করণ, যার ছবিগুলো সত্যিই নাড়াচাড়া করা যায়।
ছোটদের বিজ্ঞান সিরিজ · ২২
ভূমিকম্প, প্লেট আর বাংলাদেশের মাটি। "পায়ের নিচে শক্ত মাটি" কথাটাই ভরসার — অথচ ওই মাটি ভাসছে, চলছে, আর মাঝে মাঝে ছিঁড়ে যাচ্ছে।
পড়া ও ছড়িয়ে দেওয়া — দুটোই বিনামূল্যে। পরিবারে, স্কুলে, পাঠচক্রে।
বাংলা সংস্করণ (পিডিএফ)
বাংলা · PDF · ৮৯ পৃষ্ঠা · ১.৪ MB
পাঠ্যবইয়ে ভূমিকম্প পড়ানো হয় সংজ্ঞা দিয়ে — উপকেন্দ্র কী, রিখটার স্কেল কী। কিন্তু *কেন* কাঁপে, আর ভূমিকম্পবিদরা ঘটনার কয়েক মিনিটের মধ্যে যন্ত্রের কাগজ দেখে *কীভাবে* বলে দেন সেটা কত দূরে ঘটেছে — সেটুকু সাধারণত ফাঁকা থেকে যায়।
এই বইয়ে দুটোই বের করা হয়েছে। পৃথিবীর ভিতরে কেউ কখনো যায়নি — সবচেয়ে গভীর খননও ব্যাসার্ধের পাঁচশো ভাগের এক ভাগ পেরোয়নি — তবু আমরা জানি ভিতরে কী আছে। কীভাবে জানা গেল, সেই গল্পটাই বিজ্ঞানের সবচেয়ে সুন্দর গল্পগুলোর একটা, আর এখানে সেটা গোড়া থেকে বলা।
শেষ পর্বে সবচেয়ে জরুরি প্রশ্নটা: বাংলাদেশে থাকা একজন মানুষ আসলে কী করতে পারে।
৩৫ পাতায় গিয়ে থামো। ওই দুই পাতায় একটা প্রশ্নের উত্তর বের করা হয়েছে দুটো একেবারে আলাদা রাস্তায় — একবার অঙ্ক কষে, একবার নিছক একটা গ্রাফ পড়ে। দুটোতেই উত্তর হুবহু ২৪০ কিলোমিটার, আর সেখান থেকে বেরিয়ে আসে এমন একটা নিয়ম যা আর ভুলবে না: *প্রতি সেকেন্ড ফাঁক মানে আট কিলোমিটার।*
বইয়ের সবচেয়ে দামি পাতা ৬৭ নম্বরটা। ওখানকার প্রথম তিনটে কাজ আজ বিকেলেই করে ফেলা যায়, আর তাতে কয়েকশো টাকার বেশি খরচ হবে না।
ভাঙা খোলসের টুকরো, আর প্লেট কত জোরে চলে
বাংলাদেশ কোথায় বসে আছে
কোথায় — তিনটে বৃত্ত, আর কত বড় — মাত্রা আর তীব্রতা
দাঁড়িয়ে থাকে
দেওয়া যায় না, আর কয়েক সেকেন্ডের আগাম সতর্কতা
আলাদা বিপদ, আর ভয় নয় প্রস্তুতি
পরমাণু থেকে পাওয়ার প্ল্যান্ট পর্যন্ত বিদ্যুৎ — ১৪১ পাতা, ৫৪ অধ্যায় — সঙ্গে একটি ইন্টার্যাকটিভ সংস্করণ, যার ছবিগুলো সত্যিই নাড়াচাড়া করা যায়।
কোনো কিছু কেন অন্য কিছুর সঙ্গে জুড়ে থাকে। ইলেকট্রন থেকে শুরু করে রাসায়নিক বন্ধন — লবণ, পানি, হীরা আর ডিএনএ, সবই একই ভাবনায় ব্যাখ্যা করা।
শরীরের অদৃশ্য সীমান্তবাহিনী। ইমিউন সিস্টেমের প্রতিটি সেনা — কে কীভাবে শত্রুকে চেনে, কীভাবে যুদ্ধ জেতে, আর কখনও কখনও কেন হেরে যায়।